প্রবেশপথ ও অভ্যর্থনা
সুস্পষ্ট একটি প্রবেশপথ ও ধীর ঢালের সিঁড়ি দিয়ে নিচতলার অভ্যর্থনা ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে পৌঁছানো যাবে।
প্রবীণদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ নিবাস ও সেবা কেন্দ্র — উদ্যোগে মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট
এক নজরে
পরিচিতি
মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট কেবলমাত্র নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার পাঁচগাঁও মৌজায় একটি দ্বিতল প্রবীণ নিবাস ভবনের এককালীন নির্মাণ ও প্রতিষ্ঠা ব্যয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করছে। ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর জনবলের বেতন, খাদ্য, বিদ্যুৎ-পানি ও রক্ষণাবেক্ষণসহ দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় নিবাসীদের প্রদত্ত সাশ্রয়ী মাসিক ফি দিয়েই নির্বাহ করা হবে।
আপনার জন্য
আপনার ছেলেমেয়েরা কি দেশের বাইরে থাকেন? কিংবা সারা জীবন একাই কাটিয়ে দিলেন? এখন কি আপনার প্রয়োজন যত্ন, মানুষের সান্নিধ্য ও একটি সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশ?
তাহলে “শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম” হতে পারে আপনার জন্য একটি আপন ঠিকানা — যেখানে সমবয়সীদের সঙ্গে সঙ্গ, বন্ধুত্ব ও যত্নে জীবনের বাকি সময়টুকু কাটিয়ে দিতে পারেন নিশ্চিন্তে। আপনার সঞ্চয় থেকে এককালীন একটি কক্ষের “লাইফটাইম রেসিডেন্সিয়াল রাইট” কিনে নিশ্চিত করতে পারেন আজীবনের ঠিকানা।
লিফলেটগুলো প্রচারের জন্য তৈরি; এর দুটিতে পূর্ববর্তী একতলা ধারণা-নকশা দেখানো হয়েছে। শর্তাবলির ক্ষেত্রে সহযোগিতা অংশের বিবরণই প্রযোজ্য, এবং সঠিক যোগাযোগ নম্বর ০১৯৯৪৩৮০৭৩০।
বাংলাদেশে প্রবীণ জনগোষ্ঠী দ্রুত বাড়ছে। প্রস্তাবনায় উল্লিখিত বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি দশজন নাগরিকের একজনের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি হবে, আর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল প্রবীণের অনুপাত ২০১৯ সালের ৮ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৯.৪ শতাংশে পৌঁছেছে।
“শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম” ঠিক এই ফাঁক পূরণের জন্য — সামর্থ্য আছে কিন্তু পাশে কেউ নেই, এমন প্রবীণদের জন্য সাশ্রয়ী ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন।
তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে: উপরের জনমিতিক, নীতিগত ও খাতভিত্তিক তথ্যসমূহ মূল প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে নেওয়া। জনমিতিক তথ্যের উৎস হিসেবে বিশ্বব্যাংকের উল্লেখ থাকলেও প্রস্তাবনায় পূর্ণ তথ্যসূত্র দেওয়া নেই; দাতাদের যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবে সেগুলো পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
নকশা ও সুবিধা
নকশায় আলো-বাতাসযুক্ত কক্ষগুলো সাজানো হয়েছে একটি সবুজ উঠানকে ঘিরে, যাতে নিবাসীরা নিজের কক্ষ, ছায়াঘেরা বারান্দা ও সবার জন্য উন্মুক্ত বসার স্থানের মধ্যে সহজে চলাফেরা করতে পারেন। পুরো ভবন জুড়ে হুইলচেয়ার-বান্ধব প্রশস্ত করিডোর, উপযুক্ত উচ্চতার হাতল ও প্রবীণ-উপযোগী নকশা অনুসরণ করা হবে।
সুস্পষ্ট একটি প্রবেশপথ ও ধীর ঢালের সিঁড়ি দিয়ে নিচতলার অভ্যর্থনা ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে পৌঁছানো যাবে।
চারপাশে নিম গাছের সবুজ ছায়ায় খোলা বাগান ও বসার স্থান — প্রতিটি অংশে আলো, বাতাস আর একসাথে সময় কাটানোর জায়গা।
পরিচ্ছন্ন, আলো-বাতাসযুক্ত ও ফার্নিচারসহ বাসোপযোগী কক্ষ — ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সহজ তত্ত্বাবধান দুটোই বিবেচনায় রেখে সাজানো।
ডাইনিং হলের সাথেই টিভি রুম ও বইয়ের তাক — খাওয়াদাওয়া, গল্প আর দৈনন্দিন সামাজিক জীবনের কেন্দ্র।
প্রশস্ত করিডোর, ধাপবিহীন মেঝে ও হাতল — হুইলচেয়ার চলাচল এবং নিরাপদে ধীরে হাঁটার সুযোগ।
পাঁচগাঁও মৌজা, দুপ্তারা ইউনিয়ন, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জে ট্রাস্টের নিজস্ব ২২ শতাংশ জমি — ঢাকার কাছে হওয়ায় স্বজনদের নিয়মিত সাক্ষাৎ সহজ, আবার শহরের কোলাহলমুক্ত শান্ত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
| ভবন | দ্বিতল, প্রতি তলা ৫,৫০০ বর্গফুট — মোট ১১,০০০ বর্গফুট |
|---|---|
| ধারণক্ষমতা | একসাথে ৬০ জন প্রবীণ নিবাসী; চাহিদা অনুযায়ী সম্প্রসারণযোগ্য |
| নিচতলা | অভ্যর্থনা ও প্রশাসনিক কার্যালয়, ডাইনিং হল ও রান্নাঘর, টিভি রুম, পৃথক মেডিকেল/অসুস্থ কক্ষ, আবাসিক কক্ষ |
| দ্বিতীয়তলা | অতিরিক্ত আবাসিক কক্ষ, সাধারণ বসার ও আড্ডার স্থান, প্রশস্ত বারান্দা |
| জনবল | ১৭ জন — সিইও, সুপার কাম একাউন্টেন্ট, ৪ কেয়ারগিভার, ২ নার্স, ৩ রান্না স্টাফ, পিয়ন, ২ পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ২ নিরাপত্তারক্ষী, মালি; বেতন নিবাসীদের মাসিক ফি থেকে, এই তহবিল থেকে নয় |
| সময়সূচি | পাঁচ পর্যায়ে আনুমানিক ১১–১৬ মাস: নকশা, মাটি পরীক্ষা ও অনুমোদন; ফাউন্ডেশন ও নিচতলা; দ্বিতীয়তলা ও ছাদ ঢালাই; ফিনিশিং, বিদ্যুৎ-পানি ও সোলার; আসবাব, জনবল নিয়োগ ও উদ্বোধন |
ব্যয় বিবরণী
বাংলাদেশে ২০২৬ সালের প্রচলিত বাজারদর অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। সকল অঙ্ক বাংলাদেশি টাকায়।
| খাত / বিবরণ | পরিমাণ | আনুমানিক খরচ (৳) |
|---|---|---|
| মূল ভবন নির্মাণ — নিচতলা (ফাউন্ডেশন, RCC কাঠামো, গাঁথুনি, ছাদ ঢালাই, প্লাস্টার, ফিনিশিং, দরজা-জানালা, বৈদ্যুতিক-পানির লাইন ও সেপটিক ট্যাংকসহ) | ৫,৫০০ বর্গফুট × ২,৫০০ টাকা | ১,৩৭,৫০,০০০ |
| মূল ভবন নির্মাণ — দ্বিতীয়তলা (ফাউন্ডেশন ছাড়া) | ৫,৫০০ বর্গফুট × ১,৮০০ টাকা | ৯৯,০০,০০০ |
| হুইলচেয়ার রেলিং ও প্রবীণ-বান্ধব কাঠামো | আনুমানিক | ৩,০০,০০০ |
| সোলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি) | আনুমানিক | ৫,০০,০০০ |
| জেনারেটর ব্যাকআপ ব্যবস্থা | আনুমানিক | ৩,০০,০০০ |
| সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা | আনুমানিক | ১,০০,০০০ |
| মেডিকেল/অসুস্থ কক্ষের সরঞ্জাম | আনুমানিক | ২,০০,০০০ |
| রান্নাঘর ও ক্যান্টিন সরঞ্জাম, টিভি রুম | আনুমানিক | ৩,০০,০০০ |
| আসবাবপত্র — বেড, ওয়ারড্রোব, চেয়ার-টেবিল, কমন রুমের আসবাব | আনুমানিক | ১০,০০,০০০ |
| পর্দা ও হালকা অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা | আনুমানিক | ৩,০০,০০০ |
| অপ্রত্যাশিত ব্যয় (Contingency, প্রায় ৫%) | আনুমানিক | ১৩,৩২,৫০০ |
| মোট | ২,৭৯,৮২,৫০০ | |
সর্বমোট আনুমানিক ব্যয়: ২,৭৯,৮২,৫০০ টাকা — দুই কোটি ঊনআশি লক্ষ বিরাশি হাজার পাঁচ শত টাকা।
ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন খরচ (জনবলের বেতন, খাদ্য, বিদ্যুৎ-পানি, রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি) নিবাসীদের প্রদত্ত সাশ্রয়ী মাসিক ফি দিয়ে নির্বাহ করা হবে। যেহেতু এটি মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য তৈরি, ফি নির্ধারিত হবে বাস্তবসম্মত ও সাশ্রয়ী পর্যায়ে — বাণিজ্যিক বৃদ্ধাশ্রমের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
যেসব নিবাসী দীর্ঘদিন থাকার পর ফি দেওয়ার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলবেন, তাঁদের জন্য সদকায়ে জারিয়া তহবিলের আয় থেকে ভর্তুকি দেওয়া হবে। এই কাঠামোর ফলে প্রতিষ্ঠানটি একবার নির্মিত হয়ে গেলে বছর বছর নতুন করে অনুদানের উপর নির্ভর করতে হবে না — এটি দাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস যে তাঁদের অবদান একটি স্থায়ী ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে।
সহযোগিতা
সুধী ও হৃদয়বান দাতাগণ নিম্নলিখিত যেকোনো মাধ্যমে এই এককালীন নির্মাণ-ব্যয়ে শরিক হতে পারেন।
একজন দাতা নিজের বা তাঁর মনোনীত কোনো প্রবীণ ব্যক্তির জন্য আশ্রমে একটি কক্ষে আজীবন থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে পারবেন। দাতা একটি নির্দিষ্ট এককালীন অর্থ ট্রাস্টে জমা দেবেন, যা নির্মাণ তহবিলে যুক্ত হবে। বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রবীণ ব্যক্তি একটি লাইসেন্সকৃত (নন-ট্রান্সফারেবল) আজীবন আবাসনের অধিকার পাবেন — জমি বা কক্ষের মালিকানা হস্তান্তর নয়, সেবাগ্রহণের একটি নিশ্চিত অধিকার।
মাসিক ফি: এই এককালীন অর্থ শুধু আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করে; দৈনন্দিন খাবার-সেবার জন্য নির্ধারিত মাসিক ফি প্রযোজ্য থাকবে কিনা বা কতটা ছাড় পাবে, তা ট্রাস্ট বোর্ড নির্ধারণ করবে।
কক্ষ খালি থাকাকালীন: নিবাসী সাময়িকভাবে অনুপস্থিত থাকলে কক্ষ ভাড়া দেওয়া হলে সেই আয়ের একটি অংশ (প্রস্তাবিত: ৭৫% নিবাসী/পরিবার, ২৫% ট্রাস্ট) ভাগ করা হবে।
মৃত্যুর পর: নিবাসীর মৃত্যুর পর কক্ষটি পুনরায় ট্রাস্টের অধীনে ফিরে আসবে এবং অন্য কোনো অসহায় প্রবীণের সেবায় ব্যবহৃত হবে।
একজন দাতা তাঁর প্রয়াত মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা প্রিয়জনের নামে আশ্রমের একটি নির্দিষ্ট কক্ষ স্পনসর করতে পারবেন। কক্ষটির প্রবেশদ্বারে একটি নামফলকে প্রয়াত ব্যক্তির নাম উৎকীর্ণ থাকবে।
তহবিলের ব্যবহার: এই এককালীন অনুদান নির্মাণ তহবিলে যুক্ত হবে। এছাড়া এই কর্মসূচি থেকে যদি একটি স্থায়ী তহবিল গড়ে ওঠে, তার আয় ব্যবহৃত হবে দীর্ঘদিন আশ্রমে বসবাসের পর আর্থিক সামর্থ্য হারানো প্রবীণদের মাসিক ফি ভর্তুকিতে।
আধ্যাত্মিক তাৎপর্য: ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব দাতার মৃত্যুর পরও তাঁর আমলনামায় যুক্ত হতে থাকে, যতদিন সেই সম্পদ কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।
যাঁরা উপরের নির্দিষ্ট কাঠামোয় আবদ্ধ না হয়ে সরাসরি নির্মাণ ব্যয়ে অবদান রাখতে চান, তাঁদের জন্য এই মাধ্যম উন্মুক্ত। যেকোনো পরিমাণ অনুদান গ্রহণযোগ্য এবং তা নির্মাণ ব্যয়ের যে খাতে সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন, সেখানে ব্যবহৃত হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক দাতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও তাদের CSR (Corporate Social Responsibility) কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অবদান রাখতে পারে।
ট্রাস্টের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উদ্বৃত্ত আয় কেবল সামাজিক কল্যাণ, সদকায়ে জারিয়া ভর্তুকি ও পরিবেশ সংরক্ষণ খাতে ব্যয় করা হবে — কখনোই ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। ব্যয়ের হিসাব ট্রাস্ট বোর্ডের নিয়মিত সভায় পর্যালোচিত হবে এবং প্রয়োজনে দাতাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট প্রতিটি অনুদানের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্মাণ কাজের অগ্রগতি নিয়মিত দাতাদের অবহিত করা হবে, ব্যয়ের হিসাব রক্ষিত হবে, এবং ট্রাস্ট বোর্ডের নিয়মিত সভায় তা পর্যালোচিত হবে। বড় অঙ্কের দাতাদের জন্য প্রয়োজনে পৃথক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রদান করা হবে।
ট্রাস্ট
মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট একটি অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান, যা সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও প্রবীণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও আজীবন চেয়ারম্যান মিতালী হোসেন প্রায় এক দশক আগে প্রথম প্রবীণদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের স্বপ্ন দেখেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, নিজস্ব জমি দান করেই এই স্বপ্নের যাত্রা শুরু করবেন — আর সেই সিদ্ধান্ত থেকেই মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্টের জন্ম।
প্রকল্পের জন্য দানকৃত ২২ শতাংশ জমির (দলিল নং ৬০১৬) বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, যা ট্রাস্টের প্রাথমিক মূলধন হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রাস্টের নিজ নামে সংযুক্ত হয়েছে।
| পদবী | নাম |
|---|---|
| চেয়ারম্যান | মিতালী হোসেন |
| ভাইস চেয়ারম্যান | মৌটুসী খন্দকার |
| মহাসচিব | এডভোকেট রুমানা ইয়াসমিন শাওন |
| যুগ্ম সচিব | খন্দকার আবুল এহসান |
| কোষাধ্যক্ষ | কামরুন নাহার |
| সাধারণ সদস্য | জওহারুল মামুন; এমেলদা হোসেন; ডা. ফারহানা নাশিদ রাখি; মো. শাহ আলী নেওয়াজ তপু |
| মাধ্যম | বিবরণ |
|---|---|
| মোবাইল | ০১৯৯৪৩৮০৭৩০ |
| ইমেইল | shesherkobita38@gmail.com |
| ওয়েবসাইট | www.shesherkobita.com |
| একাউন্টের নাম | মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট |
| একাউন্ট নাম্বার | ৩৬০৬১০২০০০৭৬৩ |
| ব্যাংক ও শাখা | সোনালী ব্যাংক, ধূপতারা শাখা |
এই পৃষ্ঠার তথ্য মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট প্রদত্ত প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে নেওয়া। সকল নকশা ও রেন্ডারিং কল্পিত এবং চূড়ান্ত নকশা অনুমোদন সাপেক্ষে পরিবর্তনযোগ্য।