শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম

প্রবীণদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ নিবাস ও সেবা কেন্দ্র — উদ্যোগে মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট

এক নজরে

  • ২,৭৯,৮২,৫০০ ৳এককালীন নির্মাণ ব্যয়
  • ৬০ জনপ্রাথমিক ধারণক্ষমতা
  • ১১,০০০ বর্গফুটদ্বিতল ভবনের আয়তন
  • ২২ শতাংশট্রাস্টে দানকৃত নিজস্ব জমি

পরিচিতি

এই আবেদনের উদ্দেশ্য

শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রমের আকাশ-দৃশ্যের কল্পিত নকশা — দ্বিতল ইটের ভবন, বারান্দা ও চারপাশে সবুজ

মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট কেবলমাত্র নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার পাঁচগাঁও মৌজায় একটি দ্বিতল প্রবীণ নিবাস ভবনের এককালীন নির্মাণ ও প্রতিষ্ঠা ব্যয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহ করছে। ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর জনবলের বেতন, খাদ্য, বিদ্যুৎ-পানি ও রক্ষণাবেক্ষণসহ দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় নিবাসীদের প্রদত্ত সাশ্রয়ী মাসিক ফি দিয়েই নির্বাহ করা হবে।

নির্বাহী সারসংক্ষেপ

  • কাদের জন্য: মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রবীণ, যাঁদের পাশে পরিবার নেই — বিপত্নীক/বিধবা, অবিবাহিত, সন্তানহীন বা বার্ধক্যে দেখাশোনার কেউ নেই এমন মানুষ।
  • কী নির্মিত হবে: ট্রাস্টের নিজস্ব ২২ শতাংশ জমিতে ১১,০০০ বর্গফুটের (প্রতি তলা ৫,৫০০ বর্গফুট) দ্বিতল ভবন, শুরুতে ৬০ জন প্রবীণের আবাসন।
  • আমাদের আবেদন: শুধুমাত্র এককালীন নির্মাণ ও প্রতিষ্ঠা ব্যয় ২,৭৯,৮২,৫০০ টাকা; দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় নিবাসীদের সাশ্রয়ী মাসিক ফি থেকে নির্বাহ হবে।

আপনার জন্য

আপনি কি একা?

আপনার ছেলেমেয়েরা কি দেশের বাইরে থাকেন? কিংবা সারা জীবন একাই কাটিয়ে দিলেন? এখন কি আপনার প্রয়োজন যত্ন, মানুষের সান্নিধ্য ও একটি সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশ?

তাহলে “শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম” হতে পারে আপনার জন্য একটি আপন ঠিকানা — যেখানে সমবয়সীদের সঙ্গে সঙ্গ, বন্ধুত্ব ও যত্নে জীবনের বাকি সময়টুকু কাটিয়ে দিতে পারেন নিশ্চিন্তে। আপনার সঞ্চয় থেকে এককালীন একটি কক্ষের “লাইফটাইম রেসিডেন্সিয়াল রাইট” কিনে নিশ্চিত করতে পারেন আজীবনের ঠিকানা।

লিফলেটগুলো প্রচারের জন্য তৈরি; এর দুটিতে পূর্ববর্তী একতলা ধারণা-নকশা দেখানো হয়েছে। শর্তাবলির ক্ষেত্রে সহযোগিতা অংশের বিবরণই প্রযোজ্য, এবং সঠিক যোগাযোগ নম্বর ০১৯৯৪৩৮০৭৩০।

প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা

বাংলাদেশে প্রবীণ জনগোষ্ঠী দ্রুত বাড়ছে। প্রস্তাবনায় উল্লিখিত বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি দশজন নাগরিকের একজনের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি হবে, আর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল প্রবীণের অনুপাত ২০১৯ সালের ৮ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৯.৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

ঘরে একা বসে থাকা এক প্রবীণ নারী, পাশ দিয়ে কর্মস্থলে বেরিয়ে যাচ্ছেন সন্তানেরা
বার্ধক্যে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা।
বারান্দার গ্রিলে ভর দিয়ে একা শহরের দিকে তাকিয়ে থাকা এক প্রবীণ ব্যক্তি
বার্ধক্যে নিঃসঙ্গতা ও একাকীত্ব।
  • পরিবার বদলে গেছে। একক পরিবার, কর্মসূত্রে সন্তানদের দেশ-বিদেশে অবস্থান, নগরায়ন ও ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে বহু প্রবীণ শেষ বয়সে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন।
  • মাঝের মানুষেরা বাদ পড়ছেন। উচ্চবিত্তরা ব্যয়বহুল বেসরকারি সেবা কিনতে পারেন, হতদরিদ্ররা সরকারি বয়স্ক ভাতা পান; কিন্তু যাঁদের কিছু সঞ্চয় বা পেনশন আছে অথচ দেখাশোনার কেউ নেই, তাঁদের জন্য কিছুই নেই। সরকারি বয়স্ক ভাতার নীতিমালাও বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, বিপত্নীক, নিঃসন্তান ও পরিবার-বিচ্ছিন্নদের অগ্রাধিকার দেয়।
  • প্রতিষ্ঠান অপ্রতুল। দেশে নিবন্ধিত ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় ৩২টি বৃদ্ধাশ্রম, যার মাত্র ৬টি সরকারি; বেসরকারিগুলোর অধিকাংশই উচ্চবিত্তের জন্য।

“শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম” ঠিক এই ফাঁক পূরণের জন্য — সামর্থ্য আছে কিন্তু পাশে কেউ নেই, এমন প্রবীণদের জন্য সাশ্রয়ী ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন।

তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে: উপরের জনমিতিক, নীতিগত ও খাতভিত্তিক তথ্যসমূহ মূল প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে নেওয়া। জনমিতিক তথ্যের উৎস হিসেবে বিশ্বব্যাংকের উল্লেখ থাকলেও প্রস্তাবনায় পূর্ণ তথ্যসূত্র দেওয়া নেই; দাতাদের যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবে সেগুলো পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

প্রকল্প পরিকল্পনা

প্রকল্পের অবস্থান ও জমি

পাঁচগাঁও মৌজা, দুপ্তারা ইউনিয়ন, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জে ট্রাস্টের নিজস্ব ২২ শতাংশ জমি — ঢাকার কাছে হওয়ায় স্বজনদের নিয়মিত সাক্ষাৎ সহজ, আবার শহরের কোলাহলমুক্ত শান্ত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

গুগল ম্যাপে দেখুন

ঢাকার সাপেক্ষে পাঁচগাঁও, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জে প্রকল্পের অবস্থানের মানচিত্র
পাঁচগাঁও, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জে প্রকল্পের অবস্থান।

এক নজরে পরিকল্পনা

ভবনদ্বিতল, প্রতি তলা ৫,৫০০ বর্গফুট — মোট ১১,০০০ বর্গফুট
ধারণক্ষমতাএকসাথে ৬০ জন প্রবীণ নিবাসী; চাহিদা অনুযায়ী সম্প্রসারণযোগ্য
নিচতলাঅভ্যর্থনা ও প্রশাসনিক কার্যালয়, ডাইনিং হল ও রান্নাঘর, টিভি রুম, পৃথক মেডিকেল/অসুস্থ কক্ষ, আবাসিক কক্ষ
দ্বিতীয়তলাঅতিরিক্ত আবাসিক কক্ষ, সাধারণ বসার ও আড্ডার স্থান, প্রশস্ত বারান্দা
জনবল১৭ জন — সিইও, সুপার কাম একাউন্টেন্ট, ৪ কেয়ারগিভার, ২ নার্স, ৩ রান্না স্টাফ, পিয়ন, ২ পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ২ নিরাপত্তারক্ষী, মালি; বেতন নিবাসীদের মাসিক ফি থেকে, এই তহবিল থেকে নয়
সময়সূচিপাঁচ পর্যায়ে আনুমানিক ১১–১৬ মাস: নকশা, মাটি পরীক্ষা ও অনুমোদন; ফাউন্ডেশন ও নিচতলা; দ্বিতীয়তলা ও ছাদ ঢালাই; ফিনিশিং, বিদ্যুৎ-পানি ও সোলার; আসবাব, জনবল নিয়োগ ও উদ্বোধন

ব্যয় বিবরণী

আনুমানিক নির্মাণ ও প্রতিষ্ঠা ব্যয় বিবরণী

বাংলাদেশে ২০২৬ সালের প্রচলিত বাজারদর অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। সকল অঙ্ক বাংলাদেশি টাকায়।

খাত / বিবরণ পরিমাণ আনুমানিক খরচ (৳)
মূল ভবন নির্মাণ — নিচতলা (ফাউন্ডেশন, RCC কাঠামো, গাঁথুনি, ছাদ ঢালাই, প্লাস্টার, ফিনিশিং, দরজা-জানালা, বৈদ্যুতিক-পানির লাইন ও সেপটিক ট্যাংকসহ) ৫,৫০০ বর্গফুট × ২,৫০০ টাকা ১,৩৭,৫০,০০০
মূল ভবন নির্মাণ — দ্বিতীয়তলা (ফাউন্ডেশন ছাড়া)৫,৫০০ বর্গফুট × ১,৮০০ টাকা৯৯,০০,০০০
হুইলচেয়ার রেলিং ও প্রবীণ-বান্ধব কাঠামোআনুমানিক৩,০০,০০০
সোলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি)আনুমানিক৫,০০,০০০
জেনারেটর ব্যাকআপ ব্যবস্থাআনুমানিক৩,০০,০০০
সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাআনুমানিক১,০০,০০০
মেডিকেল/অসুস্থ কক্ষের সরঞ্জামআনুমানিক২,০০,০০০
রান্নাঘর ও ক্যান্টিন সরঞ্জাম, টিভি রুমআনুমানিক৩,০০,০০০
আসবাবপত্র — বেড, ওয়ারড্রোব, চেয়ার-টেবিল, কমন রুমের আসবাবআনুমানিক১০,০০,০০০
পর্দা ও হালকা অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জাআনুমানিক৩,০০,০০০
অপ্রত্যাশিত ব্যয় (Contingency, প্রায় ৫%)আনুমানিক১৩,৩২,৫০০
মোট২,৭৯,৮২,৫০০

সর্বমোট আনুমানিক ব্যয়: ২,৭৯,৮২,৫০০ টাকা — দুই কোটি ঊনআশি লক্ষ বিরাশি হাজার পাঁচ শত টাকা।

পরিচালন ব্যয়ের স্থায়িত্ব — কেন এটি বারবার অনুদাননির্ভর হবে না

ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন খরচ (জনবলের বেতন, খাদ্য, বিদ্যুৎ-পানি, রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি) নিবাসীদের প্রদত্ত সাশ্রয়ী মাসিক ফি দিয়ে নির্বাহ করা হবে। যেহেতু এটি মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য তৈরি, ফি নির্ধারিত হবে বাস্তবসম্মত ও সাশ্রয়ী পর্যায়ে — বাণিজ্যিক বৃদ্ধাশ্রমের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

যেসব নিবাসী দীর্ঘদিন থাকার পর ফি দেওয়ার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলবেন, তাঁদের জন্য সদকায়ে জারিয়া তহবিলের আয় থেকে ভর্তুকি দেওয়া হবে। এই কাঠামোর ফলে প্রতিষ্ঠানটি একবার নির্মিত হয়ে গেলে বছর বছর নতুন করে অনুদানের উপর নির্ভর করতে হবে না — এটি দাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস যে তাঁদের অবদান একটি স্থায়ী ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে।

নির্মাণকাজ শুরুতে পাশে থাকুন

এককালীন নির্মাণ ব্যয় ২,৭৯,৮২,৫০০ টাকা

সহযোগিতা

সহযোগিতা

অনুদান ও তহবিল সংগ্রহের মাধ্যম

সুধী ও হৃদয়বান দাতাগণ নিম্নলিখিত যেকোনো মাধ্যমে এই এককালীন নির্মাণ-ব্যয়ে শরিক হতে পারেন।

তহবিলের ব্যয়-নীতি

ট্রাস্টের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উদ্বৃত্ত আয় কেবল সামাজিক কল্যাণ, সদকায়ে জারিয়া ভর্তুকি ও পরিবেশ সংরক্ষণ খাতে ব্যয় করা হবে — কখনোই ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। ব্যয়ের হিসাব ট্রাস্ট বোর্ডের নিয়মিত সভায় পর্যালোচিত হবে এবং প্রয়োজনে দাতাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট প্রতিটি অনুদানের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্মাণ কাজের অগ্রগতি নিয়মিত দাতাদের অবহিত করা হবে, ব্যয়ের হিসাব রক্ষিত হবে, এবং ট্রাস্ট বোর্ডের নিয়মিত সভায় তা পর্যালোচিত হবে। বড় অঙ্কের দাতাদের জন্য প্রয়োজনে পৃথক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রদান করা হবে।

ট্রাস্ট

মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট

মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট একটি অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান, যা সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও প্রবীণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও আজীবন চেয়ারম্যান মিতালী হোসেন প্রায় এক দশক আগে প্রথম প্রবীণদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের স্বপ্ন দেখেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, নিজস্ব জমি দান করেই এই স্বপ্নের যাত্রা শুরু করবেন — আর সেই সিদ্ধান্ত থেকেই মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্টের জন্ম।

ট্রাস্টের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মূল উদ্দেশ্যসমূহ

  • একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রবীণ নিবাস ও সেবা কেন্দ্র হিসেবে “শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম” প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা।
  • দরিদ্র ও অসহায় নারী-পুরুষ-শিশুর কল্যাণে ও পরিবেশ সংরক্ষণে ট্রাস্টের আয় ব্যয় করা।
  • মিতালী হোসেন প্রতিষ্ঠিত স্মৃতি ৭১ পাঠাগার পরিচালনা ও সংরক্ষণ করা (এটি ইতোমধ্যে পৃথকভাবে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হচ্ছে, বর্তমান প্রকল্পের ভবনের অংশ নয়)।
  • ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এমন যেকোনো সেবা প্রতিষ্ঠানকে এই ট্রাস্টের অধীনে আনা।
  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

প্রকল্পের জন্য দানকৃত ২২ শতাংশ জমির (দলিল নং ৬০১৬) বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, যা ট্রাস্টের প্রাথমিক মূলধন হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রাস্টের নিজ নামে সংযুক্ত হয়েছে।

প্রকল্পের ব্যানারের সামনে শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রমের প্রারম্ভিক সভায় বক্তব্য রাখছেন ট্রাস্টি সদস্যরা
প্রকল্পের প্রারম্ভিক সভা।
মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্টের একটি অনুষ্ঠানে অনুদান হস্তান্তর
ট্রাস্টের একটি অনুষ্ঠান।

ট্রাস্ট বোর্ড

পদবী নাম
চেয়ারম্যানমিতালী হোসেন
ভাইস চেয়ারম্যানমৌটুসী খন্দকার
মহাসচিবএডভোকেট রুমানা ইয়াসমিন শাওন
যুগ্ম সচিবখন্দকার আবুল এহসান
কোষাধ্যক্ষকামরুন নাহার
সাধারণ সদস্যজওহারুল মামুন; এমেলদা হোসেন; ডা. ফারহানা নাশিদ রাখি; মো. শাহ আলী নেওয়াজ তপু

যোগাযোগ ও ব্যাংক হিসাব

“শেষের কবিতা আনন্দ আশ্রম” কেবল একটি ভবন নয় — এটি এমন এক প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন, যাঁরা জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে বসবাসের অধিকার রাখেন।

আমি আমার নিজের জমি দান করে এই যাত্রা শুরু করেছি — এখন প্রয়োজন শুধু ভবনটি দাঁড় করানোর জন্য একটি এককালীন সহযোগিতা। একবার তৈরি হয়ে গেলে প্রতিষ্ঠানটি নিজের পায়ে দাঁড়াবে এবং সমাজের সেইসব নিঃসঙ্গ, অসহায় প্রবীণকেও আশ্রয় দেবে, যাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো আজ কেউ নেই। আপনার আর্থিক সহযোগিতা ও পরামর্শ আমাদের এই যাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

বিনীত
মিতালী হোসেন
চেয়ারম্যান, মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট

মাধ্যম বিবরণ
মোবাইল০১৯৯৪৩৮০৭৩০
ইমেইলshesherkobita38@gmail.com
ওয়েবসাইটwww.shesherkobita.com
একাউন্টের নামমিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট
একাউন্ট নাম্বার৩৬০৬১০২০০০৭৬৩
ব্যাংক ও শাখাসোনালী ব্যাংক, ধূপতারা শাখা

এই পৃষ্ঠার তথ্য মিতালী মোজাম্মেল ট্রাস্ট প্রদত্ত প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে নেওয়া। সকল নকশা ও রেন্ডারিং কল্পিত এবং চূড়ান্ত নকশা অনুমোদন সাপেক্ষে পরিবর্তনযোগ্য।